Breaking News
Home / Uncategorized / মা বোনকে নিয়ে ওমরায় যাওয়ার পথে বাংলাদেশি হাফেজের মৃত্যু’বিস্তারিত ভিতরে’

মা বোনকে নিয়ে ওমরায় যাওয়ার পথে বাংলাদেশি হাফেজের মৃত্যু’বিস্তারিত ভিতরে’

Binodontimes: সৌদি আরবে মা-বোনকে নিয়ে ওমরায় যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় হাফেজ সাইফুল ইসলাম রেজা (৩৪) নামে এক বাংলাদেশি যুবক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

বুধবার (৯ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সৌদি আরবের নারিয়া নামক স্থানে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান।

হাফেজ সাইফুল ইসলাম রেজা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের ভুবন গ্রামের মাওলানা ইউনুসুর রহমানের ছেলে। তিনি নাসিরনগর কোরআন ও সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের সভাপতি ছিলেন। তিনি সৌদি আরবের একটি মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে চাকরির পাশাপাশি অবসর সময়ে গাড়ি চালাতেন। দেশে তাঁর দুই ছেলে ও এক কন্যাসন্তান রয়েছে।

জানা যায়, গত ছয় বছর আগে হাফেজ রেজা সৌদি আরবে যায়। সেখানে তিনি ও তাঁর ছোট ভাই বসবাস করেন। কিছু দিন আগে তার মা, বোন ও তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী সৌদি আরবে ওমরাহ হজ করতে যান। তাদের নিয়ে হজে যাওয়ার পথেই তিনি মারা যান!

হংকংয়ে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ইসলাম

চীনের বিশেষ প্রাশাসনিক অঞ্চল হংকংয়ে ক্রমেই জনপ্রিয় হচ্ছে ইসলাম। ১৯৯৩ সালে এ অঞ্চলে মুসলমানের সংখ্যা ছিল ৬০ হাজার আর ২০১৬ সালে মুসলমানের সংখ্যা তিন লাখ অতিক্রম করে।

২০১৪ সালের পরিসংখ্যান মতে হংকংয়ে মুসলিম জনসংখ্যা ৪.১ ভাগে উন্নীত হয়। ১১১০.১৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের হংকংয়ের বর্তমান জনসংখ্যা ৭৫ লাখ সাত শ। বৌদ্ধ, তাওবাদ ও খ্রিস্ট ধর্মের পর ইসলাম হংকংয়ের চতুর্থ বৃহত্তম ধর্ম। তবে হংকংয়ের বিপুলসংখ্যক মানুষ নাস্তিক্যবাদে বিশ্বাসী। হংকংয়ে বসবাসকারী মুসলিমদের মধ্যে ৬০ শতাংশ ইন্দোনেশিয়ান। এ ছাড়া ৪০ হাজার চীনা মুসলিম, ৩০ হাজার পাকিস্তানি “মুসলিম” রয়েছে।

মুসলিমদের সঙ্গে সঙ্গে হংকংয়ে ইসলামী সংগঠন ও হালাল রেস্টুরেন্টের সংখ্যাও বাড়ছে। ধারণা করা হয়, আজ থেকে প্রায় ৩৫ হাজার বছর আগে হংকং ভূমির জন্ম হয় এবং ছয় হাজার বছর আগে সেখানে মানববসতি গড়ে ওঠে। খ্রিস্টপূর্ব ২১৪ সালে হংকংকে কিন সাম্রাজ্য হংকংকে চীনের অন্তর্ভুক্ত করে। তবে ১৮৪১ সালে ব্রিটিশ উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার পর আধুনিক হংকংয়ের যাত্রা শুরু হয়।

স্বীকৃতি ইতিহাস অনুযায়ী ব্রিটিশ বাহিনীর সদস্য হিসেবে ভারতীয় মুসলিমরা হংকংয়ে পদার্পণ করলে সেখানে ইসলাম বিকশিত হতে শুরু করে। ব্রিটিশ প্রশাসনই হংকংয়ে মসজিদ ও মুসলিম কবরস্থান নির্মাণের জন্য জায়গা প্রদান করে। সে সময় আসা বেশির ভাগ মুসলিমই ছিলেন সেনা সদস্য। তবে তাদের মধ্যে মুসলিম ব্যবসায়ীও ছিল।

ক্রমবর্ধমান মুসলিমরা একটি জামে মসজিদও নির্মাণ করেছে—৩০ শেলি স্ট্রিটে ১৮৫০ সালে যার সূচনা হয়েছিল। ১৯১৫ সালে তার পুনর্নির্মাণ হয়। তারপর থেকে তা এখনো দাঁড়িয়ে আছে আশপাশের সুউচ্চ ভবনের ছায়ায়। হংকংয়ের দ্বিতীয় মসজিদ নির্মিত হয় ১৮৯৬ সালে নাথান রোডে ভিক্টোরিয়া হার্বারের পাশে, যা কলিন মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার নামে পরিচিত।

১৯৭৬ সালে সিম শ সুইয়ের মধ্য দিয়ে রেললাইনের টানেল করার সময় মসজিদটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ১৯৮০ সালে তা ভেঙে পুনর্নির্মাণ করা হয়। মসজিদে আম্মার হংকংয়ের তৃতীয় মসজিদ। ১৯৮১ সালে প্রতিষ্ঠিত মসজিদের নামের সঙ্গে ‘সাদিক’ শব্দটি পরে যুক্ত করা হয়। সাদিক ছিলেন এক চীনা মুসলিম স্থপতি। তিনি মসজিদে আম্মারের প্রতিষ্ঠাতা ও নকশাকারী।

একটি নির্মাণাধীন মসজিদসহ বর্তমানে হংকংয়ে মসজিদের সংখ্যা সাতটি। এ ছাড়া মুসলিমদের জন্য ৭০টি স্বীকৃত হালাল রেস্টুরেন্ট, পাঁচটি ইসলামিক স্কুল, কয়েকটি মাদরাসা ও দুটি পৃথক কবরস্থান রয়েছে।

ব্রিটিশ আর্থিক প্রতিষ্ঠান এইচএসবিসি ইসলামী অর্থব্যবস্থা (Islamic finance system) প্রবর্তন করে। ২০০৭ হংকংয়ে অবস্থিত ‘আরব চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’ প্রতিষ্ঠা করে ‘এইচকে ইসলামিক ইনডেক্স’। ইসলামিক ইউনিয়ন অব হংকং, ইসলামিক কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন, হংকং ইসলামিক ইয়ুথ অ্যাসোসিয়েশন, ইউনাইটেড মুসলিমস অ্যাসোসিয়েশন অব হংকং অত্র অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য ইসলামী সংগঠন।

About admin2

Check Also

জানালা দিয়ে বউ পালালো! বিস্তারিত ভিতরে:

আমার বাংলা ৭১: আমার বাংলা ৭১: বউ পালালেন, তার পেছন পেছন পালালেন বরও। এটা কোনো …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *