Breaking News
Home / Uncategorized / পাকিস্তান সীমান্ত দখলের পর ভিডিওতে যা বলল তালেবান

পাকিস্তান সীমান্ত দখলের পর ভিডিওতে যা বলল তালেবান

ভিডিও একদম শেষে – পাকিস্তানের সঙ্গে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ক্রসিং দখলে নেওয়ার পর একটি ভিডিও বার্তা প্রচার করেছে তালেবান বাহিনী। এতে দেখা গেছে, স্পিন বলদাক সীমান্তের গেইটের সামনে তালেবান যোদ্ধারা সাদা কাপড়ের পতাকা ওড়াচ্ছেন।

গত বুধবার সকালে গুরুত্বপূর্ণ এই ট্রানজিটে থাকা আফগানিস্তানের সরকারি সেনারা তালেবানের কাছে আত্মসমর্পণ করে। এই ক্রসিংয়ের এক পাশে আফগানিস্তানের ওয়েশ শহর অন্যপাশে পাকিস্তানের চামান শহর অবস্থিত। দিনে ৯০০ ট্রাক এই সীমান্ত পথ ব্যবহার করে যাতায়াত করে।

বিবিসির খবর অনুসারে, স্পিন-বলদাক সীমান্ত ক্রসিংটি আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ব্যস্ততম প্রবেশদ্বার। আফগানিস্তানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর কান্দাহারের সঙ্গে পাকিস্তানের সমুদ্রবন্দরগুলোর যোগাযোগের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এটা। সীমান্ত ক্রসিংটিকে দক্ষিণাঞ্চলের বাণিজ্যের ধমনী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তালেবানের প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা যায়, ক্যামেরার সামনে এক তালেবান যোদ্ধা বলছেন, আমেরিকা ও তার পুতুলদের (পাপেটদের) দুই দশকের নিষ্ঠুরতার পর এই গেইট এবং স্পিন বলদাক জেলা তালেবানের দখলে এসেছে।

মুজাহিদিন এবং এর জনগণের দৃঢ় প্রতিরোধ শত্রুকে এই এলাকা ত্যাগ করতে বাধ্য করেছে। আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, এটা ইসলামি আমিরাতের পতাকা। এই পতাকা ওড়ানোর জন্য হাজারো মুজাহিদিন তাদের রক্তপাত করেছে।

আফগান কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সরকারি বাহিনী তালেবানদের হঠিয়ে জেলার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। তবে সাধারণ নাগরিক ও পাকিস্তানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্রসিংয়ের নিয়ন্ত্রণ তালেবানের হাতেই রয়েছে।

সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী পাকিস্তানের এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা বলেন, তালেবান যোদ্ধারা পাকিস্তানের সঙ্গে আফগানিস্তানের বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শহরটি দখলে নিয়েছে।

সীমান্তে বসবাসকারী রাজ মোহাম্মদ নামে একজন দোকানদার বলেন, আমি সকালে বাজারে গিয়ে দেখি সব জায়গায় তালেবান সদস্যরা ঘুরছে। পুলিশ সদর দপ্তরেও তাদেরকে দেখা গেছে।

About admin

Check Also

ঘুমিয়ে পড়েছিলেন চালক, যে হাল হলো যাত্রীদের

টাঙ্গাই‌লের কা‌লিহাতী‌তে বাস খা‌দে প‌ড়ে ৬০ বছর বছর বয়সী এক বৃদ্ধ নি,হ,ত, হ‌য়ে‌ছেন। এ ঘটনায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *