Breaking News
Home / Uncategorized / বলটি জালের যে জায়গায় লেগেছিল সেই অংশ কেটে দেশে নিয়ে গেলেন ডি মারিয়া’বিস্তারিত ভিতরে’

বলটি জালের যে জায়গায় লেগেছিল সেই অংশ কেটে দেশে নিয়ে গেলেন ডি মারিয়া’বিস্তারিত ভিতরে’

Binodontimes: কোপা আমেরিকার খরা কেটেছে আর্জেন্টিনার। এবার কী তবে আর্জেন্টিনার পাখির চোখ বিশ্বকাপে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি এখনও ৫০০দিন। যার কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেল কোপার ফাইনালের আগের দিন থেকেই। এই বছরেই প্রথম গ্রীষ্মে মা বসে ফুটবল বিশ্বকাপের আসর বসতে চলেছে শীতকালে। সেই বিশ্বকাপে সকলের চোখ এখন আর্জেন্তিনার দিকে থাকবে। কারণ সকলের একটাই প্রশ্ন, এই বিশ্বকাপে কী মেসি ও ডি’মারিয়ারা খেলবেন?”

ব্রাজিলকে হারিয়ে শিরোপা জেতার পর ডি’মারিয়া বলেন, ‘আমি আমার বাচ্চা, স্ত্রী, বাবা-মা এবং যারা আমাদের অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছে তাদেরকে এই শিরোপা উৎসর্গ করছি। তারতারি একটি বিশ্বকাপ আসবে। এটা দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার।’”

এ সময় নিজের দলনেতা মেসিকে নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। ছয়বারের ব্যালন ডি’অর জয়ীকে নিয়ে ডি’মারিয়া বলেন, ‘এটা সত্যিই অবিস্মরণীয়। মেসি আমাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। আমিও মেসিকে ধন্যবাদ জানিয়েছি। সে আমাকে বলেছে, এটা আমার ফাইনাল। যেসব ফাইনাল আমি চোটের কারণে খেলতে পারিনি, সেসবের প্রতিশোধ।”

এটা আজই হওয়ার ছিল এবং এটাই হয়েছে।’ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় কোনও অঘটন না ঘটলে আসন্ন কাতার বিশ্বকাপে দেখা যেতে পারে লিওনেল মেসিকে। সেক্ষেত্রে ২০২২ বিশ্বকাপই হতে পারে এলএমটেনের শেষ বিশ্বকাপ।”

এদিকে মজার এক কাণ্ড করলেন ডি মারিয়া। ম্যাচ শেষে কেটে নিয়ে আসলেন ব্রাজিলের গোলপোস্টের জাল। ফাইনালে গোলপোস্টের জাল কাটার রীতি রয়েছে জয়ী দলের। সেই কাজটি ভালোভাবেই সারলেন ডি মারিয়া। এইদিন আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশে ছিলেন তিনি। ম্যাচের ২২তম মিনিটে ব্রাজিলের জালে বল ঝরান এই পিএসজি তারকা। বলটি জালের যে জায়গায় গিয়ে লেগেছিল সেই অংশটুকু কেটে দেশে নিয়ে আসেন আর্জেন্টিনার এই পারফেক্ট-ইলেভেন।”

টুর্নামেন্টে চার গোল ও পাঁচ অ্যাসিস্ট করা মেসিকে ছাপিয়ে ফাইনালে নায়ক হয়েছেন ডি মারিয়াই। তার গোলই ২৮ বছর পর শিরোপা স্বাদ এনে দিয়েছে আর্জেন্টিনাকে। তার কল্যাণেই সময়ের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত লিওনেল মেসির হাতে ট্রফি উঠেছে। তাই সেই স্মরণীয় গোলের গোলপোস্টের জালটি তিনি কেটে আনতেই পারেন!

আরও পড়ুন”

আর্থিকভাবে আমার পরিবারকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে: আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক

মারাকানায় কোপা আমেরিকা ফাইনালে ব্রাজিলকে হারিয়ে ১-০ গোলে ২৮ বছর পর শিরোপা জিতে মেসির আর্জেন্টিনা। এতে ফুটবল যাদুকর মেসির স্বপ্নপূরণ ও উরুগুয়ের সমান সংখ্যক তথা ১৫ বার শিরোপা লাভ করে আর্জেন্টিনা।”

একসময় তো হারিয়েই যেতে বসেছিলেন মার্টিনেজ। সেখান থেকে ফিরে এসেছেন, আলো ছড়িয়ে মুগ্ধ করে যাচ্ছেন সবাইকে। কোপা আমেরিকার সেমিফাইনালে কলম্বিয়ার বিপক্ষে টাইব্রেকারে তিনটি শট ঠেকিয়ে রাতারাতি আর্জেন্টিনার নায়ক মার্টিনেজ। এই গোলরক্ষকের জীবনে প্রতিটি অর্জনই এসেছে অসংখ্য ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে।”

বিজ্ঞাপনের বিলবোর্ডের সামনে কানে হেডফোন দিয়ে কথা বলার সময় তার চোখ ছলছল করছে। অশ্রুচোখের সেই খেলোয়াড়টি ছিলেন মার্টিনেজ। দীর্ঘ আট বছর অপেক্ষার পর প্রিয় ক্লাবের হয়ে মাঠে থেকে শিরোপার স্বাদ পাওয়ার আবেগ ধরে রাখাটা এই গোলরক্ষকের জন্য কঠিনই ছিল।”

মার্টিনেজকে ক্লাবের ভবিষ্যৎ বলেই মনে করতেন ওয়েঙ্গার। ধৈর্য ধরে সুযোগের অপেক্ষায় থাকার জন্য উপদেশ দিতেন। গুরুর কথা রেখেছিলেন মার্টিনেজ। দুই বছর পর মূল দলে অভিষেক হলেও কখনো জায়গা পাকা করতে পারেননি। পরের আট বছরে আর্সেনাল তাকে ছয়টি ক্লাবে ধারে পাঠিয়েছে। অবশেষে গত বছর স্থায়ীভাবে যোগ দেন অ্যাস্টন ভিলায়।

গার্ডিয়ানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গোলরক্ষক মার্টিনেজ জানায়, আর্সেনালে যোগ দেওয়ার জন্যই মার্টিনেজ উপেক্ষা করেছিলেন মায়ের কান্না, চোখের জল। যদিও সেখানে তাদের অর্থনৈতিক অবস্থাও ভূমিকা রেখেছিল। অভাব অনটনের সংসারে তার বাবাকে প্রতিদিনের খাবার যোগাতেই হিমশিম খেতে হতো। পরিবারের অবস্থা এতই খারাপ ছিল যে ছেলেকে গ্লাভস কিনে দেওয়ার সামর্থ্যও ছিল না মার্টিনেজের বাবার।


তাই আবেগ ঝেড়ে ফেলে তাকে নিতে হয়েছিল কঠিন সিদ্ধান্ত। আমি মাঝরাতে বাবাকেও কাঁদতে দেখেছি, তবে সেটা অন্য কারণে। কারণ তিনি টাকা পরিশোধ করতে পারছিলেন না। অভাবের সংসারে তাই আমাকে সাহসী হতে হয়েছিল। ফলে আর্সেনালের প্রস্তাবে সম্মত হই।

মার্টিনেজের জার্সি নম্বর ২৩। এর পেছনেও আছে তার ত্যাগের গল্প। শৈশবের কঠিন সময়ের পর আর্সেনালে ব্রাত্য হয়ে থাকাটা মার্টিনেজের ভেতর নিজেকে প্রমাণের তাড়না দিয়েছে বাড়িয়ে। তাই জন্মদিনে ছেলের কাছে না থাকার সিদ্ধান্ত কঠিন হলেও অসম্ভব হয়নি তার কাছে। ছেলের জন্মদিনের সময় কোপা আমেরিকায় দলের সঙ্গে থাকায় তিন বছরের ছেলের জন্মদিন উদযাপন করতে পারেননি মার্টিনেজ। কিন্তু প্রিয় সন্তানকে তিনি ধারন করেছেন ভিন্নভাবে, জার্সি নম্বরের মাধ্যমেই!”

এ বিষয়ে মার্টিনেজের ভাই আলেসান্দ্রো বলেন, ওর ছেলের জন্মদিন ছিল জুনের ২৩ তারিখ। তাই সে ২৩ নম্বর জার্সি পরে খেলছে। তাকে ১২ নম্বর দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সে এটা চেয়ে নিয়েছে। সে বাচ্চাকে খুব ভালোবাসে, সব জায়গায় নিয়ে যায়। তিন বছর বয়সেই সে দুর্দান্ত খেলে। সে বাঁহাতি, যা চমৎকার।

About admin2

Check Also

১৭ বছর বয়সে বিদেশ গেছি, সব কামাই বাবা-মাকে দিছি, আর বাড়ি ফিরে ৫ দিন ভাত পাইনি! বিস্তারিত ভিতরে:

Binodontimes: যৌবনে সব কামাই তাদের (বাবা-মা) কে দিয়েছিলাম। ১৭ বছড় বয়সে সৌদি গিয়াছিলাম, মোচ উঠে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *