Home / Uncategorized / ইসলাম গ্রহণ করলেন ভারতের জনপ্রিয় তামিল নায়িকা মনিকা

ইসলাম গ্রহণ করলেন ভারতের জনপ্রিয় তামিল নায়িকা মনিকা

Binodontimes: হ্যালো বন্ধুরা আমি রাসেল আহম্মেদ আজ আপনাদের সামনে যে খবর টি তুলে ধরতেছি তা নিচে দেয়া আছে

ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন দক্ষিণ ভারতের অভিনেত্রী মনিকা। ৩০ মে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। ইসলাম গ্রহণের পর তিনি নিজের নাম রেখেছেন এমজি রহিমা। তামিল চলচ্চিত্রে শিশু শিল্পী হিসেবে তিনি অভিনয় শুরু করেন। এ পর্যন্ত ৭০টিরও বেশি ছবিতে তিনি কাজ করেছেন। তেলেগু, মালায়লাম ও কান্নাডা ছবিতের তিনি পরিচিত মুখ।

হ্যা আজ আপনাদের সামনে এমন একটি খবর নিয়ে হাজির হয়েছে । খবরটি পড়ার আগে আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জয়েন করে আসুন । জয়েন করে সকল প্রকার শিক্ষা ও রাজনৈতী ধম সহ সকল নিউজ সবার আগে পেতে এখন থেকেই আামাদের সাথে থাকুন । গ্রুপে জয়েন করতে এইখানে ফলো করুন ধন্যবাদ ।

আমাদের ফেসবুক গ্রুপ জয়েন করুন :এখানে
এসএমএসের মাধ্যমে কীভাবে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পাবেন

শুক্রবার এক প্রেস কনফারেন্সে ২৬ বছর বয়সী এ অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি টাকা বা প্রেমের জন্য ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করিনি। ইসলামের নিয়মকানুন ও রীতিনীতি পছন্দ হওয়ায় আমি এ ধর্ম গ্রহণ করেছি।’

কার মাধ্যমে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণে অনুপ্রাণিত হন তা তিনি জানাননি। তিনি আর চলচ্চিত্রে অভিনয় করবেন না বলে জানিয়েছেন। শিশুশিল্পী হিসেবে তিনি তামিল নাড়ুর জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন। ২০০১ সালে মালায়লাম চলচ্চিত্রে অভিনয়ে শুরুতে তিনি নাম পরিবর্তন করে প্রাভিনা রাখেন।

ফিলিপাইনে একস’ঙ্গে ২৫০ জনের ইসলাম গ্রহন। একটি গ্রামে বসবাস করে প্রায় ২৫০ জন। তাদের সবাই একই স’ঙ্গে ইসলাম গ্রহণ করেছেন। একই স’ঙ্গে কালিমা পড়ে মু’সলমান হয়েছেন তারা। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ইসলামিক শিক্ষা ও গবে’ষণা একাডেমি আইইআরএ এ ত’থ্য জানিয়েছে।

ইসলাম গ্রহণ করলেন ভারতের জনপ্রিয় তামিল নায়িকা মনিকা

তারা ইসলাম গ্রহণ করেছে বলে জানায় একাডেমিটি। মু’সলিম স্বেচ্ছাসেবীদের একটি দল তাদের ইসলামের দাওয়াত দিলে পুরো গ্রামের মানুষ ইসলামে দীক্ষিত হয়। তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একস’ঙ্গে অনেক লোক লাইন ধরে দাঁড়িয়ে শাহাদাত আ’ঙ্গুল উঁচিয়ে কালিমা পড়ে মু’সলমান হচ্ছে

সমস্বরে কালিমা পড়ছে।আইইআরএ জানিয়েছে, তাদের দায়িরা ফিলিপিন্স প্রদেশ সেবুতে বানতান দ্বীপের ম’দিনা মসজিদে গেলে, তাদের দাওয়াতে একজন ইসলাম গ্রহণ করে। তার রাখা হয় আবু বকর।পরে আইইআরএ দলটি তখন বান্টায়ান দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে যায়, ও দাওয়াতের কাজ করে।

স্থানীয় গ্রামবাসীদের সাথে দেখা করে তাদের ইসলাম সম্প’র্কে বুঝায়।সেখানের একটি গ্রামে পৌঁছে, ইসলামের বাণী শোনানো ও দাওয়াত দেয়ার পর তারা সেখানে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সেখানে খ্রিস্টানগ্রামবাসী প্রায় আড়াইশ জন উপস্থিত ছিলো।

নওমু’সলিম আবু বকর ও ঈসা খান উভ’য়েই তাদের মাঝে আবেগঘণ বক্তৃতা করেন। এর ফলে গ্রামবাসী সবাই ইসলা যুক্তরাজ্য ভিত্তিক ইসলামিক শিক্ষা ও গবে’ষণা একাডেমি আইইআরএ এ ত’থ্য জানিয়েছে। তারা ইসলাম গ্রহণ করেছে বলে জানায় একাডেমিটি।

তারা ইসলাম গ্রহণ করেছে বলে জানায় একাডেমিটি। মু’সলিম স্বেচ্ছাসেবীদের একটি দল তাদের ইসলামের দাওয়াত দিলে পুরো গ্রামের মানুষ ইসলামে দীক্ষিত হয়। তাদের অফিসিয়াল ফেসবুক পোস্টের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একস’ঙ্গে অনেক লোক লাইন ধরে দাঁড়িয়ে শাহাদাত আ’ঙ্গুল উঁচিয়ে কালিমা পড়ে মু’সলমান হচ্ছে

সমস্বরে কালিমা পড়ছে।আইইআরএ জানিয়েছে, তাদের দায়িরা ফিলিপিন্স প্রদেশ সেবুতে বানতান দ্বীপের ম’দিনা মসজিদে গেলে, তাদের দাওয়াতে একজন ইসলাম গ্রহণ করে। তার রাখা হয় আবু বকর।পরে আইইআরএ দলটি তখন বান্টায়ান দ্বীপের পাহাড়ি অঞ্চলে যায়, ও দাওয়াতের কাজ করে। স্থানীয় গ্রামবাসীদের সাথে দেখা করে তাদের ইসলাম সম্প’র্কে বুঝায়।সেখানের একটি গ্রামে পৌঁছে, ইসলামের বাণী শোনানো ও দাওয়াত দেয়ার পর তারা সেখানে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সেখানে খ্রিস্টানগ্রামবাসী প্রায় আড়াইশ জন উপস্থিত ছিলো। সমস্বরে কালিমা পড়ছে।আইইআরএ জানিয়েছে, তাদের দায়িরা ফিলিপিন্স প্রদেশ সেবুতে বানতান দ্বীপের ম’দিনা।

আরও পড়ুন

তার ছাড়া যোগাযোগের ডিভাইস আবিষ্কার করে তাক লাগালেন ঢাকার যুবক

তার ছাড়া যোগাযোগের ডিভাইস আবিষ্কার করে তাক লাগালেন ঢাকার যুবক
আবিষ্কারক সাদ্দাম উদ্দিন আহমদ।

ঢাকার অন্তর্মুখী এক যুবক অনন্য আবিষ্কার করেছেন। তার আবিষ্কারের নাম হ্যাকপ্রুপ লেজার টকি। এর মাধ্যমে তার ছাড়াই কথা বলা যাবে। তবে এ ক্ষেত্রে লাগবে আলোর সাহায্য। আলো যতদূর পৌঁছবে, হ্যাকপ্রুপ লেজার টকির সাহায্যে ততদূর তার ছাড়াই যোগাযোগ করা সম্ভব হবে।

এই ডিভাইস আবিষ্কারের ফলে ঝড়-ঝঞ্জা, সাইক্লোনকবলিত এলাকার লোকজনের উপকার হবে। ঝড়-সাইক্লোনের পর ওইসব এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক ও টেলিফোন লাইন সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লে হ্যাকপ্রুপ লেজার টকির সাহায্যে যোগাযোগ করা যাবে।

এ ছাড়া পাহাড়ি এলাকা যেখানে নেটওয়ার্ক দুর্বল, সেখানে এই ডিভাইসের সাহায্যে সহজে যোগাযোগ করা যাবে। এ ছাড়া যারা গভীর সাগরে মাছ ধরতে যান, তাদের ক্ষেত্রে যোগাযোগে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

হ্যাকপ্রুপ লেজার টকির আবিষ্কারক সাদ্দাম উদ্দিন আহমদ। ময়মনসিংহে জন্ম নেওয়া এই যুবক থাকেন ঢাকার ওয়ারীতে। চাকরি করেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। পড়ালেখা করেছেন ভারতের ব্যাঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনে ব্যাচেলর ডিগ্রি করে দেশে ফিরে কাজ শুরু করেন তিনি।

ওয়ারীর বাসায় নীরবে বহু কিছু নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন এই অন্তর্মুখী যুবক। দীর্ঘদিন সাধনার পর আবিষ্কার করেন হ্যাকপ্রুপ লেজার টকি। নিজের আবিষ্কার নিয়ে সাদ্দাম উদ্দিন আহমদ বলেন, করোনাকালে সময়কে কাজে লাগিয়ে আমি এই ডিভাইসটি আবিষ্কার করেছি। হঠাৎ একদিন ছোট্ট মেয়েটার সঙ্গে কী নিয়ে খুঁনসুটি করার সময় মনে হলো এই ডিভাইসটি তৈরি করা যেতে পারে। যেই চিন্তা সেই কাজ। অনেকটা খেলার ছলেই হ্যাকপ্রুপ লেজার টকি আবিষ্কার করেছি, বলতে পারেন।

এটি নিয়ে গবেষণা করার সময় কার্যকরিতা নিয়ে সন্দিহান ছিলেন সাদ্দাম। ডিভাইস তৈরির পর তিনি বুঝতে পারেন যে, এটি বহু কাজে লাগতে পারে। তার সৃষ্টি মানবকল্যাণে কাজে লাগলেই তৃপ্তি পাবেন বলে জানান তিনি।

হ্যাকপ্রুপ লেজার টকিকে উদ্ভাবন বলবেন নাকি আবিষ্কার বলবেন, এমন প্রশ্নে অনেকটা চাপা স্বভাবের সাদ্দামের ভাষ্য— এটি আবিষ্কার না উদ্ভাবন সেটি বড় কথা নয়; তবে আমার জানামতে, এমন ডিভাইস কেউ তৈরি করতে পারেননি।

হ্যাকপ্রুপ লেজার টকি কীভাবে কাজ করবে, এমন প্রশ্নের জবাবে সাদ্দাম বলেন, হ্যাকপ্রুপ লেজার টকিতে থাকে ট্রান্সফরমার। সঙ্গে থাকে রিসিভার। সেই সঙ্গে টর্চলাইট কিংবা লেজার লাইট লাগবে। লাইটের আলো ট্রান্সফরমারে যতদূর গিয়ে পড়বে ততদূর শব্দ পৌঁছাবে। এ ক্ষেত্রে দুজনের কথোপকথনের জন্য কোনো তার লাগবে না।
তিনি বলেন, এই ডিভাইস টর্চলাইটে লাগানো থাকলে বহুদূর থেকে সহজেই যোগাযোগ করা যাবে। বিশেষ করে গভীর সমুদ্রে যারা মাছ ধরতে যান, তারা অন্ধকার রাতে বহুদূর থেকে তার ছাড়াই যোগাযোগ করতে পারবেন।

এ ছাড়া যেসব এলাকায় মোবাইল নেটওয়ার্ক কাজ করে না, সেসব এলাকার লোকজন অল্প খরচে এই যন্ত্র ব্যবহার করে জরুরি যোগাযোগ সারতে পারবেন।
ঘরবাড়ি ধসে পড়লে ধ্বংসস্তূপের ভেতরে অন্ধকারে এই যন্ত্র দিয়ে উদ্ধারকর্মীরা যোগাযোগ করতে পারবেন।

জানা গেছে, সাদ্দাম উদ্দিন আহমদের এটিই প্রথম আবিষ্কার নয়; এর আগে তিনি কৃত্রিম হাত উদ্ভাবন করেছেন। যেটির সাহায্যে দৈনন্দিন কাজ করা যাবে। যাদের হাত কাটা গেছে কিংবা হাত অকেজো, তারা কৃত্রিম হাতের সাহায্যে কাজ করতে পারবেন। এ ছাড়া যেসব কাজ হাত দিয়ে করা ঝুঁকিপূর্ণ, সেগুলো কৃত্রিম হাতের মাধ্যমে করা যাবে। বডি কন্ট্রোল সুইচের মাধ্যমে পরিচালিত হবে এই হাত।

তার আবিষ্কারের মধ্যে আরও রয়েছে- রোবট ট্রলি, যেটি রিমোট দিয়ে পরিচালিত হবে। এ ছাড়া পানি ঠাণ্ডা করার পাত্র আবিষ্কার করেছেন তিনি। চার্জারের সাহায্যে মোবাইল থেকে চার্জ দিয়ে পানি ঠাণ্ডা করা যাবে।

About admin

Check Also

অন’লাইনে শুক্রাণু কিনে ‘ই-বেবি’ জন্ম দিলেন নারী

দ্বিতীয় সন্তান নিতে আগ্রহী হন এক ব্রিটিশ নারী। কিন্তু ৩৩ বছর বয়সী স্টেফনি টেলর নতুন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *