Breaking News
Home / Uncategorized / শেখ হাসিনার জন্য নফল রোজা রেখে মানুষ দোয়া করেছেন : হাসেম খান’ বিস্তারিত দেখুন’

শেখ হাসিনার জন্য নফল রোজা রেখে মানুষ দোয়া করেছেন : হাসেম খান’ বিস্তারিত দেখুন’

Binodontimes:সংসদীয় আসন থেকে অবশেষে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আ’লীগ প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম

খান মুঠোফোনে ইনকিলাবের এই প্রতিবেদককে বলেন, আমাকে মনোনীত করায় আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কৃতজ্ঞতা”

জানিয়েছেন কুমিল্লা-৫ এলাকার সাধারণ জনগণ। জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য তারা নফল রোজা রেখে দোয়াও করেছেন। আমিও গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই আমার প্রিয় নেত্রীর প্রতি।”

আজ একমাত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান দুপুর ১২ টায় নিজ আসনের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে জেলা প্রশাসক মো. কামরুল হাসানের সাথে সাক্ষাত করতে যান।

এসময় উপস্থিত সাংবাদিকদের জেলা প্রশাসক জানান, প্রার্থীতা প্রতাহারের শেষদিনে যেহেতু একজন প্রার্থী রয়েছেন, তাই বিকেলেই নির্বাচন কমিশনকে আমরা জানিয়ে দেবো।

জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান ইনকিলাবকে জানান, আর কোনো প্রার্থী না থাকায় আমরা বিকেলেই নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে

দিয়েছি। তিনি বলেন, অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান সাহেব কুমিল্লা-৫ আসনে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত।”

এর আগে গত ২০ জুন বিকেলে একমাত্র প্রতিদ্বন্ধি জাতীয় পার্টির প্রার্থী জসিম উদ্দিন নিজ সিদ্ধান্তে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিলে এড.আবুল হাসেমের

আর কোন প্রতিপক্ষ নাই। তাই এখন সময়ের অপেক্ষা। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণায় অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান তাৎক্ষনিক এক প্রতিক্রিয়ায় দলের তৃণমুল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন,”

মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সাবেক আইনমন্ত্রী ও ৫ বারের এমপি, আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সুপ্রিমকোর্ট বার আইনজীবি”

সমিতির সভাপতি মরহুম অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু’র এই আসনের অসমাপ্ত কাজ অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

একাত্তরের রণাঙ্গনে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খানের জন্ম জেলার বুড়িচং উপজেলার সীমান্তবর্তী রাজাপুর ইউনিয়নের ঘিলাতলা(উত্তর) গ্রামে।

ব্যক্তি জীবনে তিনি কখনো দলত্যাগী রাজনীতিতে যুক্ত হননি। ১৯৬৬ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রাথমিক সদস্যপদ লাভের মাধ্যমে আ’লীগের সাথে যুক্ত।”

এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাননি। টানা ৫৫ বছর বঙ্গবন্ধু’র হাতে গড়া মহান এই সংগঠনটির সুখে,দুখে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন। কখনো বক্তিস্বার্থে দলকে ব্যবহার করেননি।

একজন সাদামাটা কর্মীর মতো ভালোবেসে গেছেন আ’লীগকে। আবুল হাসেম ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যুক্তের পর ১৯৬৯ সালে ছাত্রনেতা হিসেবে গণঅভ্যূত্থান, ১৯৭০ সালে আ’লীগের

প্রার্থী হিসেবে আগরতলা মামলা, বঙ্গবন্ধু’র হত্যা মামলা পরিচালনাকারী প্রখ্যাত আইনজীবি মরহুম অ্যাডভোকেট সিরাজুল হকের (বর্তমান আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের পিতা) পক্ষে নির্বাচন

পরিচালনা, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে বুড়িচং রাজাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি, ১৯৭৩ সালে সংসদ নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থী অধ্যাপক মো.”

ইউনূসের পক্ষে প্রচারনায় অংশগ্রহণ, ১৯৭৬ সালে অবিভক্ত বুড়িচং থানা ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৭৯ সালে সংসদ নির্বাচনে আ’লীগ প্রার্থীর পক্ষে প্রচারনায় সক্রিয় অংশগ্রহণ,

১৯৮৩ সালে নির্বাচিত বুড়িচং উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ১৯৮৬ ও ১৯৯৩ সালে দু’দফা সাধারণ সম্পাদক, ২০০৩ ও ২০২০ সালে দু’দফা সভাপতি, মাঝে ২০১৮ সালে বুড়িচং”

উপজেলা আ’লীগের আহবায়ক ছাড়াও ১৯৮৬ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আ’লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন।

তাছাড়া বিগত ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৮ সালে সংসদ নির্বাচনে আব্দুল মতিন খসরু’র সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কনভেনার এবং চীফ এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।”

রাজনৈতিক জীবনে নানা ঘাতপ্রতিঘাতেও আবুল হাসেম খান দলচ্যুত বা সুবিধাভোগীদের দলে নিজেকে যুক্ত করেননি। শিক্ষা জীবন শেষে আইন পেশায় নিজেকে জড়িয়ে এই নেতা দলের দুর্দিনে”

হামলা-মামলার শিকার অসংখ্য নেতা-কর্মীকে বিনামুল্যে আইনী সহায়তা ছাড়াও নানাভাবে আর্থিক সাহায্য সহযোগিতা করেছেন। সাদাসিদে জীবনযাপনকারী আবুল হাসেম রাজনীতিবিদ হিসেবেও পরিচ্ছন্ন।

বিগত সময়ে রাজনীতিতে যুক্ত থেকে অনেক নেতা-কর্মীরা সম্পদের পাহাড় গড়লেও বিপুল সুযোগ থাকার পরও আইন পেশার বাইরে অন্য কোন আয়ের উৎস নিয়ে তার ভাবনা ছিল না।

উল্লেখ্য চলতি বছরের গত ১৪ এপ্রিল কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রাহ্মনপাড়া) আসনটির সংসদ সদস্য সাবেক আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু’র মৃত্যুতে আসনটি শুন্য হয়।

পরবর্তীতে কমপক্ষে ৩৬ জনের বেশী বিভিন্ন স্তরের নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশী হয়ে মতিন খসরুর কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল আয়োজন, ত্রাণ বিতরণ, সংবাদ সম্মেলন, বিলবোর্ড, ব্যানার, পোস্টার ছাপিয়ে,”

শত শত মোটরসাইকেল, গাড়ি নিয়ে মিছিল, সামাজিক মাধ্যমে প্রচার ছাড়াও নানাভাবে নিজেকে উপস্থাপনের পর সর্বশেষ মনোনয়নপত্র বিক্রি শুরুর পর ৩৫ জনের মনোনয়নপত্র ক্রয়

করেন। এসব কিছুতেই যখন প্রার্থী পদে মনোনয়ন পেতে ইচ্ছুক নেতাদের নানারকম তৎপরতা, তখনো অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান ছিলেন নিরব। বুড়িচং-ব্রাহ্মনপাড়ার প্রতিটি জনপদে যখন”

৩ ডজন প্রার্থী নানাভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন, তিনি বা তার পক্ষে তখন কেউ কোথাও একটা পোষ্টার বা ব্যানার টানাতে দেখেননি। এছাড়া ঢাকায় মনোনয়ন পত্র ক্রয় বা জমা দেওয়ার সময়”

প্রতিটা মনোনয়ন ক্রয়কারী গাড়িবহর নিয়ে ঢাকায় যাওয়া-আসা করলেও ব্যক্তি জীবনে সৎ, নিরহঙ্কার, নির্মোহ অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খান মনোনয়নপত্র ক্রয় বা জমা দেওয়ার সময় বিশাল বহর নিয়ে যাননি। এসময় তিনি অনেকটা একা

একাই মনোনয়নপত্র ক্রয় এবং জমা দেন।জিজ্ঞাসা করলে হাসেম খান বলেন, করোনা মহামারিতে স্বাস্থ্যবিধি মানার বাধ্যবাধকতার কারণে আমি অনেক বেশি মানুষের সমাগম করিনি।”

এদিকে হাসেম খানের পছন্দের একাধিক সমর্থক জানান, মনোনয়ন পত্র ক্রয়ের আগে তিনি একাধিকবার তাদের কাছে বলেছেন, “যদি আমি নেত্রী ( শেখ হাসিনা)’র কাছ

About admin2

Check Also

ঘুমিয়ে পড়েছিলেন চালক, যে হাল হলো যাত্রীদের

টাঙ্গাই‌লের কা‌লিহাতী‌তে বাস খা‌দে প‌ড়ে ৬০ বছর বছর বয়সী এক বৃদ্ধ নি,হ,ত, হ‌য়ে‌ছেন। এ ঘটনায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *