Breaking News
Home / Uncategorized / জার্মান শহরে মাইকে আজান নিষিদ্ধের মামলায় জয়ী হলেন মুসলিমরা’বিস্তারিত ভিতরে’

জার্মান শহরে মাইকে আজান নিষিদ্ধের মামলায় জয়ী হলেন মুসলিমরা’বিস্তারিত ভিতরে’

Binodontimes:জার্মানির একটি শহরে মাইকে আজান দেয়া নিষিদ্ধ করার দাবিতে স্থানীয়দের করা মা’মলায় জয় পেয়েছেন মুসলিমরা। টানা পাঁচ বছরের আইনি লড়াই শেষে বুধবার মা’মলাটি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত।”

ফলে, এখন থেকে শহরটিতে মাইকে আজান দিতে আর কোনও বাধা থাকল না। মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ২০১৫ সালে জার্মানির উত্তর রাইন-ওয়েস্টফালিয়া অঙ্গরাজ্যের ওর-এরকেনশিক শহরের বাসিন্দারা আজানের সময় মাইক ব্যবহারের বিরুদ্ধে অ’ভিযোগ দায়ের করেছিলেন।”

মসজিদ থেকে ৯০০ মিটার দূরে বসবাসকারী একটি পরিবারের অভিযোগ ছিল, আজানের শব্দে তাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন হচ্ছে। কিন্তু পরিবারটির এ দাবি খারিজ করে দিয়েছেন জার্মান আদালত।”

রায় ঘোষণায় বিচারক বলেছেন, অন্যরাও ধর্মীয় চর্চা করবে এটা প্রতিটি সমাজকে অবশ্যই মানতে হবে। যতক্ষণ কাউকে ধর্মচর্চায় জোর করা হচ্ছে না, ততক্ষণ অভিযোগ জানানোর কোনও সুযোগ নেই।”

আরো পড়ুন: তুর্কি বংশোদ্ভূত মুসলিম দম্পতির হাত দিয়েই করোনার প্রথম ভ্যাকসিন আবিষ্কার !তূর্কি বংশোদ্ভূত মুসলিম দম্পতির হাত দিয়েই করোনার প্রথম ভ্যাকসিন আবিষ্কার আন্তর্জাতিক ডেস্ক : জার্মান প্রতিষ্ঠান বায়োনটেক ও মার্কিন প্রতিষ্ঠান ফাইজারের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করোনা ভাইরাসের টিকা তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে ৯০ শতাংশ কার্যকারিতা দেখিয়েছে৷বায়োনটেকের প্রতিষ্ঠাতা তুরস্ক বংশোদ্ভূত এক দম্পতি৷”

জার্মান শহর মাইনৎসে ১২ বছর আগে বায়োনটেকের পথচলা শুরু হয়৷ এই কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ উগুর জাহিন এবং তার স্ত্রী ইমিউনোলজিস্ট উজলেম টুরেচি৷ তারা দুইজনই তুরস্ক বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিক৷

আরো পড়ুন: পবিত্র কোরআনে ফিলিস্তিন ভূমির অনন্য মর্যাদা !”

মুসলমানের প্রথম কেবলা মসজিদুল আকসা ও পবিত্র ভূমি ফিলিস্তিনের আলোচনা পবিত্র কোরআনে নানাভাবে উদ্ধৃত হয়েছে। নিম্নে এমন কয়েকটি বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলো—

১. বরকতময় ভূমি : পবিত্র কোরআনে মসজিদুল আকসা ও তাঁর আশপাশের অঞ্চলকে বরকতময় ভূমি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে,”

‘পরম পবিত্র ও মহিমাময় তিনি, যিনি নিজ বান্দাকে রাতে ভ্রমণ করিয়েছেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত, যার পরিবেশ আমি করেছিলাম বরকতময়, তাকে আমার নিদর্শন দেখানোর জন্য; তিনিই সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।’ (সুরা বনি ইসরাঈল, আয়াত : ১)

২. কল্যাণের ভূমি : আল্লাহর নবী সোলায়মান (আ.)-কে আল্লাহ পৃথিবীতে বিশেষ রাজত্ব প্রদান করেছিলেন। তাঁর হাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল একটি কল্যাণ রাষ্ট্রের।”

আল্লাহ যেমনটি বলেন, ‘এবং সোলায়মানের বশীভূত করে দিয়েছিলাম উদ্দাম বায়ুকে; তা তার আদেশক্রমে প্রবাহিত হতো সে দেশের দিকে, যেখানে আমি কল্যাণ রেখেছি এবং প্রত্যেক বিষয় সম্পর্কে আমিই সম্যক অবগত।’ (সুরা আম্বিয়াহ, আয়াত : ৮১) ঐতিহাসিকদের মতে, সোলায়মান (আ.) ফিলিস্তিনের শাসক ছিলেন।”

৩. নির্বাচিত ভূমি : আলকুদস তথা ফিলিস্তিন আল্লাহর নির্বাচিত পবিত্র ভূমি। আল্লাহ অসংখ্য নবী-রাসুলের আবাসস্থল হিসেবে এ ভূমিকে নির্বাচিত করেছিলেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে আমার সম্প্রদায়, আল্লাহ তোমাদের জন্য যে পবিত্র ভূমি নির্দিষ্ট করেছেন তাতে তোমরা প্রবেশ করো এবং পিছুপা হয়ো না। হলে তোমরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ (সুরা মায়িদাহ, আয়াত : ২১)

৪. নবী-রাসুলের বিচরণ ভূমি : আল্লাহ ফিলিস্তিন ও তাঁর নিকটবর্তী অঞ্চলে অসংখ্য নবী ও রাসুল প্রেরণ করেছেন এবং একাধিক নবী এই পবিত্র ভূমিতে আশ্রয় লাভ করেছিলেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘এবং আমি তাঁকে ও লুতকে উদ্ধার করে নিয়ে গেলাম সে দেশে, যেখানে আমি কল্যাণ রেখেছি বিশ্ববাসীর জন্য।’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত : ৭১)”

বেশির ভাগ মুফাসসিরের মতে, আয়াতে ফিলিস্তিন ভূমির কথা বলা হয়েছে। অন্যদের মতে, শাম বা সিরিয়ার কথা বলা হয়েছে। ৫. ফিলিস্তিন ভূমির শপথ : পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ প্রাচীন ফিলিস্তিন ভূমির অন্তর্গত ‘সিনাই পর্বত’ ও ফিলিস্তিনের দুটি ফলের শপথ গ্রহণ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘শপথ ত্বিন ও জয়তুনের; শপথ সিনাই পর্বতের।’ (সুরা ত্বিন, আয়াত : ১-৩)”

৬. অসহায় মানুষের আশ্রয় ভূমি : যুগ যুগ ধরে ফিলিস্তিন অসহায় ও নিরাশ্রয় মানুষের আশ্রয় ভূমি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বর্তমানে ইসরায়েলের যেসব অধিবাসী আদি ফিলিস্তিনিদের অবৈধভাবে উচ্ছেদ করছে তারাও ইউরোপ ও আমেরিকার বিভিন্ন দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে ফিলিস্তিনে আশ্রয় নিয়েছিল।”

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে সম্প্রদায়কে দুর্বল গণ্য করা হতো তাদের আমি আমার কল্যাণপ্রাপ্ত রাজ্যের পূর্ব ও পশ্চিমের উত্তরাধিকারী করি।’ (সুরা আরাফ, আয়াত : ১৩৭) কোরআনের ব্যাখ্যাকাররা বলেন, এ আয়াতে ফিলিস্তিন ও প্রাচীন শামের কথা বলা হয়েছে।”

আরো পড়ুন: যে বাঙালি যোদ্ধার কাছে ধরাশায়ী হয়েছিল ইসরাইল !

প্রয়াত সাবেক সেনা কর্মকর্তা সাইফুল আলম সুজা। গত এক সপ্তাহ ধরে সংঘাতে লিপ্ত ইসরাইল-ফিলিস্তিন। মূলত দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার পালটা জবাব দিচ্ছে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। এবারের সংঘাত মূলত রমজান মাসে পবিত্র আল আকসায় মুসল্লিদের নামাজে বাধা দেওয়ার পর থেকে তীব্রতর হয়।

এবার গাজা উপত্যকা থেকে ইসরাইল অভিমুখে এখন পর্যন্ত সহস্রাধিক রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে হামাস, যার অধিকাংশই আয়রন ডোম প্রতিরোধ ব্যবস্থা দিয়ে প্রতিহত করেছে ইসরাইল। এদিকে ইসরাইলি বিমান বাহিনীর ছোড়া গোলায় ধ্বংসস্তুপে পরিণত হচ্ছে ফিলিস্তিন।”

সমর বিশেষজ্ঞদের ভাষ্যে, পালটা বিমান হামলা করা না গেলে ইসরাইল সব সময়ই অপ্রতিরোধ্য। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই স্মরণ করেছেন ১৯৬৭ সালের তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধের ইতিহাস, যে যুদ্ধে ইসরাইলের যমদূত হয়ে হাজির হয়েছিলেন বাংলাদেশের সেনা কর্মকর্তা সাইফুল আজম সুজা।”

সাইফুল আজম পৃথিবীর ইতিহাসের একমাত্র যোদ্ধা যিনি একক ব্যক্তি হিসেবে সর্বোচ্চ সংখ্যক ইসরাইলি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার অনন্য রেকর্ড গড়েছেন। একাই নাকানিচুবানি খাইয়েছিলেন বর্বর ইসরাইলি সেনাদের। এমন কৃতিত্বের জন্য বাংলাদেশের এই বৈমানিককে সে সময় ‘নাত আল-সুজাহ’ সামরিক সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।”

এই বীর যোদ্ধার সেই গৌরবময় ইতিহাস হয়ত অনেকের অজানা। চলমান ফিলিস্তিন-ইসরাইল সংঘর্ষ পরিস্থিতিতে এই যোদ্ধার ১৯৬৭ সালে ইসরাইলকে প্রতিহত করার সেই ইতিহাস পাঠকের উদ্দেশে তুলে ধরা হলো- পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কর্মরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের জুন মাসে তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হয়। যুদ্ধে অংশ নিতে ইরাকি বিমানবাহিনীতে বদলি হন সাইফুল আজম সুজা।”

পশ্চিম ইরাকে অবস্থান নিয়ে ইসরাইলিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিলেন তিনি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার মাত্র ৫ দিনের মাথায় গাজা এবং সিনাইয়ের কর্তৃত্ব নিয়েছিল ইসরাইল। জুনের ৫ তারিখে সিরীয় বিমানবাহিনীর দুই-তৃতীয়াংশ শক্তি ধ্বংস করে দেয় ইসরাইলি বিমান সেনারা। তেমন কোনো প্রতিরোধ ছাড়াই ইসরাইল পশ্চিম তীর এবং জেরুজালেম তারা দখল করেছিল। দখল করেছিল সিরিয়ার গোলান মালভূমিও।

তাদের সামনে বিন্দুমাত্র প্রতিরোধ তৈরি করতে পারেনি মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ। এ সময় ইসরাইলিদের যমদূত হয়ে জর্ডানে যান সাইফুল আজম। ৬ জুন আকাশ থেকে প্রচণ্ড আক্রমণে মিসরীয় বিমানবাহিনীর যুদ্ধ-সরঞ্জাম গুঁড়িয়ে দেয় ইসরাইলি বাহিনী। একই দিন বেলা ১২টা ৪৮ মিনিটে চারটি ইসরাইলি সুপারসনিক ‘ডাসল্ট সুপার মিস্টেরে’ জঙ্গি বিমান ধেয়ে আসে জর্ডানের মাফরাক বিমান ঘাঁটির দিকে।

এবার তাদের লক্ষ্য জর্ডানের ছোট্ট বিমানবাহিনীকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়া। সে সময় ইসরাইলি সুপারসনিকের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার মতো সমকক্ষ বিমান আরবীয়দের ছিল না। তবু ইসরাইলিদের ঠেকাতে মাফরাক বিমান ঘাঁটি থেকে ‘হকার হান্টার’ জঙ্গি বিমান নিয়ে বুক চিতিয়ে উড়াল দেন সাইফুল আজম।”

আর সেই হকার হান্টার দিয়েই ক্ষিপ্রগতির দুটি ইসরাইলি সুপারসনিক ঘায়েল করে ফেললেন সাইফুল আজম। তার অব্যর্থ আঘাতে ভূপাতিত হয় একটি ইসরাইলি ‘সুপার মিস্টের

About admin2

Check Also

ঘুমিয়ে পড়েছিলেন চালক, যে হাল হলো যাত্রীদের

টাঙ্গাই‌লের কা‌লিহাতী‌তে বাস খা‌দে প‌ড়ে ৬০ বছর বছর বয়সী এক বৃদ্ধ নি,হ,ত, হ‌য়ে‌ছেন। এ ঘটনায় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *