Breaking News
Home / National / চাকরি হারিয়ে ত্ব-হার ব্যাপারে মুখ খুললেন বন্ধু সিয়াম!

চাকরি হারিয়ে ত্ব-হার ব্যাপারে মুখ খুললেন বন্ধু সিয়াম!

Binodontimes: স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। ত্ব-হা তার দুই সঙ্গী ও গাড়িচালককে নিয়ে বন্ধু সিয়াম ইবনে শরীফের গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার ত্রিমোহনীতে আট দিন ধরে অবস্থান করেন। এ ঘটনার জের ধরে সিয়ামকে চাকরিচ্যূত করেছে মোবাইল কম্পানি। তিনি রংপুরে একটি মোবাইল ফোন কম্পানির মানবসম্পদ (এইচআর) বিভাগে কর্মরত ছিলেন।

রবিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করে সিয়াম ইবনে শরীফ জানান, ত্ব-হা ইস্যুতে শনিবার তাকে চাকরিচ্যূত করা হয়। তবে এ ব্যাপারে জানার চেষ্টা করা হলেও ওই মোবাইল ফোন কোম্পানির কাউকে পাওয়া যায়নি।

সিয়াম বলেন, আমার বন্ধু আবু ত্ব-হাসহ চারজন গাইবান্ধায় আমাদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল তা আমি জানতাম না। এ কারণে ত্ব-হার নিখোঁজ হওয়ার সংবাদে আমি নিজেও উদ্বিগ্ন ছিলাম এবং তার সন্ধান দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচিতেও অংশ নিয়েছিলাম। পুলিশ ত্ব-হাকে উদ্ধারের পর বিষয়টি জেনেছি। অথচ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ, আমি নাকি তাদেরকে লুকিয়ে রেখে মানববন্ধন করেছি। আসলে এটা মিথ্যা, আমি কিছুই জানতাম না।

তিনি আরো বলেন, ত্ব-হা প্রায়ই আমাদের বাড়িতে যেত। আমাদের একসঙ্গে বেড়ে ওঠার অনেক স্মৃতি আছে। খুবই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আমাদের। ত্ব-হা তার স্ত্রীকে নিয়েও আমাদের গ্রামে যেত। আর এবার নাকি সে আমার মাকে অনুরোধ করেছিল,

তাদের আশ্রয় দেওয়ার বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য। বিভিন্নজন আমাকে ভুল বুঝছে। অনেক মিডিয়া আমাকে নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এতে আমার মানসম্মানের ক্ষতি হচ্ছে। ত্ব-হার এভাবে আশ্রয় নেওয়া বা আত্মগোপনে যাওয়ার ঘটনাটি সুষ্ঠু তদন্ত হওয়া উচিত বলে মনে করি।

তবে সিয়ামের মা নিশাদ নাহার জানান, ত্ব-হা আমার ছেলে সিয়ামের সঙ্গে রংপুরে এসএসসি পর্যন্ত একসঙ্গে পড়েছে। তারপর দুজন দুই কলেজে পড়ত। কিন্তু একসঙ্গে চলাফেরা করত। তারপর ইউনিভার্সিটিতে পড়াকালীন দুজন একসঙ্গে চলত। এর আগে ত্ব-হা তাদের বাড়িতে অনেকবার এসেছে। সেদিন ত্ব-হা ও তার সঙ্গীরা এই বাড়িতে থাকলেও আশপাশের কেউ জানত না। এমনকি সিয়ামও বিষয়টি জানত না বলে দাবি করেন তিনি।

একই দাবি করেছেন, রংপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (অপরাধ) আবু মারুফ হোসেন। ডিবি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ১০ জুন রংপুর থেকে ঢাকার পথে রওনা হন আবু ত্ব-হাসহ আব্দুল মুহিত আনসারী, ফিরোজ আলম ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন ফয়েজ। ঢাকার গাবতলী পৌঁছলে ত্ব-হার ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে সেখান থেকে আবার গাইবান্ধার ত্রিমোহনীতে চলে যান তারা। সেখানে বন্ধু সিয়ামের বাড়িতে অবস্থান করেন। এ সময় বন্ধু সিয়াম বাসায় ছিলেন না।

এদিকে, আবু ত্ব-হাসহ চারজন নিখোঁজ হন বলে অভিযোগ ছিল। আবু ত্ব-হার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয় গাবতলী থেকে তারা নিখোঁজ হন। এ নিয়ে আবু ত্ব-হার মা আজেদা বেগম রংপুর মহানগর কোতয়ালি থানায় এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী সাবিকুন্নাহার সারা ঢাকার পল্লবী থানায় পৃথক সাধারণ ডায়েরি করেন। এছাড়া গাড়িচালক আমির উদ্দিন ফয়েজের ভাই ফয়সাল রংপুরে আরেকটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

About admin

Check Also

মোশাররফ করিমের বি`রুদ্ধে মানহানি মামলা!

Binodontimes: আইনজীবীদের হেয় প্রতিপন্ন করার অভিযোগে অভিনেতা মোশাররফ করিমের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করা হয়েছে। রোববার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *