Breaking News
Home / Uncategorized / বেনেটের উদ্দেশ্য হচ্ছে ফিলিস্তিনিদের উপর চিরস্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা ‘বিস্তারিত দেখুন’

বেনেটের উদ্দেশ্য হচ্ছে ফিলিস্তিনিদের উপর চিরস্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা ‘বিস্তারিত দেখুন’

ইসরাইলে নাফ’তালি বেনেট ও ইয়াইর লাপিড আটটি দলের সমন্বয়ে জোট সরকার গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন। ‘এই জোট সংসদে আস্থা ভোটে টিকে’ গেলে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সামনে সরে দাঁড়ানো ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকবে না। আর প্রধানমন্ত্রী হয়ে যাবেন নাফতালি বেনেট।

এর মধ্যেই ইসরাইলের প্রধান’মন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত পূর্ণ নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে ইয়ামিনা দলের প্রধান নাফতালি বেনেটকে। বৃহস্পতি’বার সকাল থেকেই ইসরাইলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা সিন বেতের পক্ষ থেকে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা পাচ্ছেন বলে ইসরাইলি সংবাদ’মাধ্যমে খবর জানানো হয়।

সিন বেত জানিয়েছে, ‘সিন বেতের প্রহরার সক্ষম’তা অনুযায়ী গণতন্ত্রের ধারা’বাহিকতা, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা ও অ্যাটর্নি জেনারেলের মতামতের ভিত্তিতে আজ থেকে (বৃহস্পতিবার) সিন বেতের ডিভিশনের নিরা’পত্তার দায়িত্বের নিয়োজিত ব্যক্তিরা এমকে নাফাতলি বেনেটকে নিরাপত্তা দেবেন।’

এর আগে বুধবার সরকার গঠনে নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার সামান্য আগে ইয়েশ আতিদ দলের প্রধান ইয়ায়ির লাপিদ সরকার গঠনের ঘোষণা দেন। নাফতালি বেনেটের সাথে লাপিদের সমঝোতার ভিত্তিতে নতুন সরকার গঠনের এই ঘোষণা দেন তিনি।

বেনিয়ামিন নেতা’নিয়াহুকে বিদায় করার জন্য নাফতালি বেনেট ও ইয়াইর লাপিডের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, সরকার গঠন করে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চার বছর মেয়াদি ক্ষমতার মেয়াদের অর্ধেক সময় (দুই বছর) এ পদে থাকবেন প্রথমে নাফতালি বেনেট। বাকি অর্ধেক সময় (দুই বছর) প্রধানমন্ত্রী হবেন ইয়াইর লাপিড।

বিভিন্ন কারণে ওদের রাজনীতি সম্পর্কে জানা আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এর মধ্যে একটি কারণ হলো ফিলিস্তিন ইস্যু। তাই ফিলিস্তিন ইস্যু নিয়ে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের মনো’ভাবটাও আমাদের জানা উচিত।
আজকে দ্যা গার্ডিয়ানের মতো পত্রিকায় তাকে নিয়ে লেখা একটি আর্টি’কেলের প্রথম লাইনগুলো ছিল- ‘নাফতালি বেনেট ইসরায়েলি-ফিলিস্তিনি সঙ্কট সমাধানে বিশ্বাস করে না। বরং তার উদ্দেশ্য হচ্ছে ফিলিস্তিনি’দের উপর চির’স্থায়ী’ভাবে নিয়ন্ত্রণ কায়েম করা।’

ফিলিস্তিন নিয়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন’ভাবে এই লোক কিছু মন্তব্য করেন। যেমন :
২০১৩ সালে বলেছিলেন- ‘পশ্চিম তীরে দখল’দারিত্বের কিছুই নেই, কারণ এটা আমাদেরই ভূমি, এখানে ফিলিস্তিন নামে কখনোই কিছু ছিল না। তাই আমরা আমাদের ভূমির নিরাপত্তার জন্য সন্ত্রাসীদের (ফিলিস্তিনি’দের) দমন করছি।’

ঠিক একই সময়ে আরো বলেন, ‘সন্ত্রাসী’দের (ফিলিস্তি’নিদের) হত্যা করা উচিত, মুক্তি দেয়া উচিত নয়।’
২০১৮ সালে ফিলিস্তিনিরা যখন গাজা সীমান্তে সমাবেশ করছিল, তখন বলেছিলেন, “ইসরাইলি সৈন্যদের উচিত ‘গুলি করে হত্যা’ করা পলিসি মেনে চলা এবং এই পলিসি থেকে যেন কম বয়সী মেয়েরাও রক্ষা না পায়।”

ঠিক ও্ সময় তাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হলো, ইসরাইলি সৈন্যরাতো শিশু’দেরকে টার্গেট করেও গুলি করছে, এই ব্যাপারে আপনি কী বলবেন? তার জবাব ছিল, ‘তারা শিশু নয়, তারা হচ্ছে সন্ত্রাসী।’

২০১২ সালে এই নাফতালি বেনেটের সাতটি পয়েন্ট নিয়ে একটি প্ল্যান ছিল (কেউ পড়তে চাইলে লিঙ্ক সংগ্রহ করতে পারেন)। টু সাম আপ সামা’রাইজ করলে যেটা বোঝা যায়, সেটা হচ্ছে- এই নাফতালি বেনেট বিশ্বাস করেন যে সিনাই থেকে গোলান মালভূমি পর্যন্ত সমগ্র ভূমিটি স্বয়ং সৃষ্টি’কর্তা শুধুমাত্র ইহুদি’দের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। এই ভূমিতে ইহুদি ছাড়া অন্য কোনো জাতি থাকার কোনো অধিকার নেই।

মনে রাখতে হবে, কট্টর ডানপন্থী নাফ’তালি বেনেট একসময় বেনি’য়ামিনের মিত্র ছিলেন।

About admin

Check Also

ক্ষমতা ছাড়ার আগে আরেকটি সঙ্ঘাত চান নেতানিয়াহু ‘বিস্তারিত দেখুন’

ক্ষমতা ছাড়ার শেষ মুহুর্তে এসেও সঙ্ঘাতে জরাতে চান ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতা’নিয়াহু। সে লক্ষ্যেই তিনি কট্টর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *