Breaking News
Home / জাতীয় / মেয়েকে ধর্ষণের পর বাবাকে হোটেলে ডেকে নিয়ে ছাত্রলীগের সাবেক নেতার মারধর

মেয়েকে ধর্ষণের পর বাবাকে হোটেলে ডেকে নিয়ে ছাত্রলীগের সাবেক নেতার মারধর

মাদারীপুরের শিবচরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এই ঘটনার বিচার চাওয়ায় উল্টো অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আজ শনিবার সকালে মেয়েটির বাবাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে খবর পেয়ে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে মেয়েটির বাবাকে উদ্ধার করে পুলিশ। একই সময় পুলিশ অভিযুক্ত ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকেও গ্রেপ্তার করে।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগের ওই সাবেক নেতার নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি বাঁশকান্দি ইউনিয়নের মৃজারচর মুন্সিকান্দি এলাকার শাহাবুদ্দিন মুনশির ছেলে। নাসির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি স্থগিত হওয়ার আগপর্যন্ত বাঁশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচারণাও চালিয়েছিলেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, প্রায় দুই মাস আগে ইউপি নির্বাচনে প্রচার–প্রচারণায় নেমে মোস্তাফিজুরের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর (১৪)। একপর্যায়ে মোস্তাফিজুর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন। ২১ মে (শুক্রবার) সকালে মোস্তাফিজুর ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাড়িতে আসেন এবং নবম শ্রেণির গাইড কিনে দেওয়ার কথা বলে তাঁকে মোটরসাইকেলে নিয়ে বের হন। কিন্তু মোস্তাফিজুর বইয়ের দোকানে না গিয়ে তাঁরই এক বন্ধুর বাড়িতে ওই ছাত্রীকে নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।
মাদারীপুরের শিবচরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এই ঘটনার বিচার চাওয়ায় উল্টো অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আজ শনিবার সকালে মেয়েটির বাবাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে খবর পেয়ে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে মেয়েটির বাবাকে উদ্ধার করে পুলিশ। একই সময় পুলিশ অভিযুক্ত ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকেও গ্রেপ্তার করে।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগের ওই সাবেক নেতার নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি বাঁশকান্দি ইউনিয়নের মৃজারচর মুন্সিকান্দি এলাকার শাহাবুদ্দিন মুনশির ছেলে। নাসির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি স্থগিত হওয়ার আগপর্যন্ত বাঁশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচারণাও চালিয়েছিলেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, প্রায় দুই মাস আগে ইউপি নির্বাচনে প্রচার–প্রচারণায় নেমে মোস্তাফিজুরের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর (১৪)। একপর্যায়ে মোস্তাফিজুর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন। ২১ মে (শুক্রবার) সকালে মোস্তাফিজুর ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাড়িতে আসেন এবং নবম শ্রেণির গাইড কিনে দেওয়ার কথা বলে তাঁকে মোটরসাইকেলে নিয়ে বের হন। কিন্তু মোস্তাফিজুর বইয়ের দোকানে না গিয়ে তাঁরই এক বন্ধুর বাড়িতে ওই ছাত্রীকে নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।
মাদারীপুরের শিবচরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এই ঘটনার বিচার চাওয়ায় উল্টো অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আজ শনিবার সকালে মেয়েটির বাবাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে খবর পেয়ে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে মেয়েটির বাবাকে উদ্ধার করে পুলিশ। একই সময় পুলিশ অভিযুক্ত ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকেও গ্রেপ্তার করে।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগের ওই সাবেক নেতার নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি বাঁশকান্দি ইউনিয়নের মৃজারচর মুন্সিকান্দি এলাকার শাহাবুদ্দিন মুনশির ছেলে। নাসির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি স্থগিত হওয়ার আগপর্যন্ত বাঁশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচারণাও চালিয়েছিলেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, প্রায় দুই মাস আগে ইউপি নির্বাচনে প্রচার–প্রচারণায় নেমে মোস্তাফিজুরের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর (১৪)। একপর্যায়ে মোস্তাফিজুর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন। ২১ মে (শুক্রবার) সকালে মোস্তাফিজুর ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাড়িতে আসেন এবং নবম শ্রেণির গাইড কিনে দেওয়ার কথা বলে তাঁকে মোটরসাইকেলে নিয়ে বের হন। কিন্তু মোস্তাফিজুর বইয়ের দোকানে না গিয়ে তাঁরই এক বন্ধুর বাড়িতে ওই ছাত্রীকে নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।

একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ওই ঘরের দরজা ভেঙে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে যান মোস্তাফিজুর। পরে মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গুরুতর অবস্থায় মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় মাতবরের মাধ্যমে সালিস বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু সেখানে কোনো বিচার না পাওয়ায় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা গত ২৫ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। এতে মোস্তাফিজুরকে আসামি করা হয়। একই সঙ্গে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়।

বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বলে ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রীর বাবাকে আজ সকালে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে আনেন। এরপর মোস্তাফিজুর তাঁকে মামলাটি তুলে নিতে অনুরোধ জানান। কিন্তু মেয়ের বাবা মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করলে তাঁকে বেদম মারধর করা হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে হোটেলের এক কর্মচারী জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। পরে সদর থানা-পুলিশ ওই হোটেলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেন। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ মোস্তাফিজুরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

palo-logo

জেলা
মেয়েকে ধর্ষণের পর বাবাকে হোটেলে ডেকে নিয়ে ছাত্রলীগের সাবেক নেতার মারধর
প্রতিনিধি
প্রতিনিধিমাদারীপুর
প্রকাশ: ২৯ মে ২০২১, ১৯: ২৭
অ+
অ-
ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান
ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমানপ্রথম আলো
মাদারীপুরের শিবচরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এই ঘটনার বিচার চাওয়ায় উল্টো অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আজ শনিবার সকালে মেয়েটির বাবাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে খবর পেয়ে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে মেয়েটির বাবাকে উদ্ধার করে পুলিশ। একই সময় পুলিশ অভিযুক্ত ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকেও গ্রেপ্তার করে।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগের ওই সাবেক নেতার নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি বাঁশকান্দি ইউনিয়নের মৃজারচর মুন্সিকান্দি এলাকার শাহাবুদ্দিন মুনশির ছেলে। নাসির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি স্থগিত হওয়ার আগপর্যন্ত বাঁশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচারণাও চালিয়েছিলেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক।
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, প্রায় দুই মাস আগে ইউপি নির্বাচনে প্রচার–প্রচারণায় নেমে মোস্তাফিজুরের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর (১৪)। একপর্যায়ে মোস্তাফিজুর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন। ২১ মে (শুক্রবার) সকালে মোস্তাফিজুর ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাড়িতে আসেন এবং নবম শ্রেণির গাইড কিনে দেওয়ার কথা বলে তাঁকে মোটরসাইকেলে নিয়ে বের হন। কিন্তু মোস্তাফিজুর বইয়ের দোকানে না গিয়ে তাঁরই এক বন্ধুর বাড়িতে ওই ছাত্রীকে নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।

একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ওই ঘরের দরজা ভেঙে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে যান মোস্তাফিজুর। পরে মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গুরুতর অবস্থায় মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় মাতবরের মাধ্যমে সালিস বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু সেখানে কোনো বিচার না পাওয়ায় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা গত ২৫ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। এতে মোস্তাফিজুরকে আসামি করা হয়। একই সঙ্গে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়।

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান। শনিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর থানার সামনে
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান। শনিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর থানার সামনেপ্রথম আলো
বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বলে ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রীর বাবাকে আজ সকালে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে আনেন। এরপর মোস্তাফিজুর তাঁকে মামলাটি তুলে নিতে অনুরোধ জানান। কিন্তু মেয়ের বাবা মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করলে তাঁকে বেদম মারধর করা হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে হোটেলের এক কর্মচারী জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। পরে সদর থানা-পুলিশ ওই হোটেলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেন। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ মোস্তাফিজুরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

ADVERTISEMENT
SCROLL TO CONTINUE
ওরা জোর করে আমার স্টেটমেন্ট নিতে চায়। আমি দিতে না চাইলে ওরা আমাকে কিল–ঘুষি দিতে থাকে। আমার মেয়ের সঙ্গে যে এই খারাপ কাজ করেছে, তার সঙ্গে কোনো আপস আমি চাই না। আমি তার কঠোর বিচার চাই।
মারধরের শিকার মেয়েটির বাবা ও মামলার বাদী
মেয়েটির বাবা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি হোটেলে যেতে রাজি ছিলাম না। কিন্তু মোস্তাফিজুর আমাকে খুব অনুরোধ করে হোটেলে ডাকে। ওরা জোর করে আমার স্টেটমেন্ট নিতে চায়। আমি দিতে না চাইলে ওরা আমাকে কিল–ঘুষি দিতে থাকে। আমার মেয়ের সঙ্গে যে এই খারাপ কাজ করেছে, তার সঙ্গে কোনো আপস আমি চাই না। আমি তার কঠোর বিচার চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর থানায় বসে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার সঙ্গে ওই মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মেয়েটি আমার সঙ্গে স্বেচ্ছায় চলাফেরা করে। কিন্তু ওই মেয়ে ও তার পরিবার আমাকে এখন ফাঁসিয়ে দিয়েছে।’ হোটেলে নিয়ে মারধরের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করতে। তাই তাঁকে ডেকে আনি। তাঁকে কোনো প্রকার মারধর করা হয় নাই।’

জানতে চাইলে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা বেলা ২টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘৯৯৯ থেকে কল পেয়ে আমরা সকাল ১০টার দিকে আবাসিক হোটেল যাই। সেখান থেকে আমরা মেয়েটির বাবাকে উদ্ধার করি। এ সময় মোস্তাফিজুরকে থানায় নিয়ে আসা হয়। ঘটনাটি যেহেতু শিবচরের, তাই আমরা শিবচর থানার পুলিশের কাছে আসামিকে তুলে দিই।’

এ বিষয়ে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মোস্তাফিজুরকে আসামি করে মামলা করেন। মোস্তাফিজুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাল (রোববার) আসামি মোস্তাফিজুরকে আদালতে পাঠানো হবে।’

একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ওই ঘরের দরজা ভেঙে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে যান মোস্তাফিজুর। পরে মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গুরুতর অবস্থায় মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় মাতবরের মাধ্যমে সালিস বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু সেখানে কোনো বিচার না পাওয়ায় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা গত ২৫ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। এতে মোস্তাফিজুরকে আসামি করা হয়। একই সঙ্গে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়।

বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বলে ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রীর বাবাকে আজ সকালে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে আনেন। এরপর মোস্তাফিজুর তাঁকে মামলাটি তুলে নিতে অনুরোধ জানান। কিন্তু মেয়ের বাবা মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করলে তাঁকে বেদম মারধর করা হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে হোটেলের এক কর্মচারী জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। পরে সদর থানা-পুলিশ ওই হোটেলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেন। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ মোস্তাফিজুরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

palo-logo

জেলা
মেয়েকে ধর্ষণের পর বাবাকে হোটেলে ডেকে নিয়ে ছাত্রলীগের সাবেক নেতার মারধর
প্রতিনিধি
প্রতিনিধিমাদারীপুর
প্রকাশ: ২৯ মে ২০২১, ১৯: ২৭
অ+
অ-
ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান
ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমানপ্রথম আলো
মাদারীপুরের শিবচরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এই ঘটনার বিচার চাওয়ায় উল্টো অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আজ শনিবার সকালে মেয়েটির বাবাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে খবর পেয়ে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে মেয়েটির বাবাকে উদ্ধার করে পুলিশ। একই সময় পুলিশ অভিযুক্ত ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকেও গ্রেপ্তার করে।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগের ওই সাবেক নেতার নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি বাঁশকান্দি ইউনিয়নের মৃজারচর মুন্সিকান্দি এলাকার শাহাবুদ্দিন মুনশির ছেলে। নাসির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি স্থগিত হওয়ার আগপর্যন্ত বাঁশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচারণাও চালিয়েছিলেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক।
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, প্রায় দুই মাস আগে ইউপি নির্বাচনে প্রচার–প্রচারণায় নেমে মোস্তাফিজুরের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর (১৪)। একপর্যায়ে মোস্তাফিজুর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন। ২১ মে (শুক্রবার) সকালে মোস্তাফিজুর ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাড়িতে আসেন এবং নবম শ্রেণির গাইড কিনে দেওয়ার কথা বলে তাঁকে মোটরসাইকেলে নিয়ে বের হন। কিন্তু মোস্তাফিজুর বইয়ের দোকানে না গিয়ে তাঁরই এক বন্ধুর বাড়িতে ওই ছাত্রীকে নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।

একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ওই ঘরের দরজা ভেঙে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে যান মোস্তাফিজুর। পরে মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গুরুতর অবস্থায় মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় মাতবরের মাধ্যমে সালিস বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু সেখানে কোনো বিচার না পাওয়ায় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা গত ২৫ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। এতে মোস্তাফিজুরকে আসামি করা হয়। একই সঙ্গে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়।

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান। শনিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর থানার সামনে
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান। শনিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর থানার সামনেপ্রথম আলো
বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বলে ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রীর বাবাকে আজ সকালে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে আনেন। এরপর মোস্তাফিজুর তাঁকে মামলাটি তুলে নিতে অনুরোধ জানান। কিন্তু মেয়ের বাবা মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করলে তাঁকে বেদম মারধর করা হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে হোটেলের এক কর্মচারী জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। পরে সদর থানা-পুলিশ ওই হোটেলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেন। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ মোস্তাফিজুরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

ADVERTISEMENT
SCROLL TO CONTINUE
ওরা জোর করে আমার স্টেটমেন্ট নিতে চায়। আমি দিতে না চাইলে ওরা আমাকে কিল–ঘুষি দিতে থাকে। আমার মেয়ের সঙ্গে যে এই খারাপ কাজ করেছে, তার সঙ্গে কোনো আপস আমি চাই না। আমি তার কঠোর বিচার চাই।
মারধরের শিকার মেয়েটির বাবা ও মামলার বাদী
মেয়েটির বাবা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি হোটেলে যেতে রাজি ছিলাম না। কিন্তু মোস্তাফিজুর আমাকে খুব অনুরোধ করে হোটেলে ডাকে। ওরা জোর করে আমার স্টেটমেন্ট নিতে চায়। আমি দিতে না চাইলে ওরা আমাকে কিল–ঘুষি দিতে থাকে। আমার মেয়ের সঙ্গে যে এই খারাপ কাজ করেছে, তার সঙ্গে কোনো আপস আমি চাই না। আমি তার কঠোর বিচার চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর থানায় বসে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার সঙ্গে ওই মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মেয়েটি আমার সঙ্গে স্বেচ্ছায় চলাফেরা করে। কিন্তু ওই মেয়ে ও তার পরিবার আমাকে এখন ফাঁসিয়ে দিয়েছে।’ হোটেলে নিয়ে মারধরের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করতে। তাই তাঁকে ডেকে আনি। তাঁকে কোনো প্রকার মারধর করা হয় নাই।’

জানতে চাইলে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা বেলা ২টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘৯৯৯ থেকে কল পেয়ে আমরা সকাল ১০টার দিকে আবাসিক হোটেল যাই। সেখান থেকে আমরা মেয়েটির বাবাকে উদ্ধার করি। এ সময় মোস্তাফিজুরকে থানায় নিয়ে আসা হয়। ঘটনাটি যেহেতু শিবচরের, তাই আমরা শিবচর থানার পুলিশের কাছে আসামিকে তুলে দিই।’

এ বিষয়ে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মোস্তাফিজুরকে আসামি করে মামলা করেন। মোস্তাফিজুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাল (রোববার) আসামি মোস্তাফিজুরকে আদালতে পাঠানো হবে।’

একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ওই ঘরের দরজা ভেঙে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে যান মোস্তাফিজুর। পরে মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গুরুতর অবস্থায় মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় মাতবরের মাধ্যমে সালিস বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু সেখানে কোনো বিচার না পাওয়ায় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা গত ২৫ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। এতে মোস্তাফিজুরকে আসামি করা হয়। একই সঙ্গে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়।

বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বলে ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রীর বাবাকে আজ সকালে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে আনেন। এরপর মোস্তাফিজুর তাঁকে মামলাটি তুলে নিতে অনুরোধ জানান। কিন্তু মেয়ের বাবা মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করলে তাঁকে বেদম মারধর করা হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে হোটেলের এক কর্মচারী জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। পরে সদর থানা-পুলিশ ওই হোটেলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেন। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ মোস্তাফিজুরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

palo-logo

জেলা
মেয়েকে ধর্ষণের পর বাবাকে হোটেলে ডেকে নিয়ে ছাত্রলীগের সাবেক নেতার মারধর
প্রতিনিধি
প্রতিনিধিমাদারীপুর
প্রকাশ: ২৯ মে ২০২১, ১৯: ২৭
অ+
অ-
ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান
ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমানপ্রথম আলো
মাদারীপুরের শিবচরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এই ঘটনার বিচার চাওয়ায় উল্টো অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আজ শনিবার সকালে মেয়েটির বাবাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে খবর পেয়ে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে মেয়েটির বাবাকে উদ্ধার করে পুলিশ। একই সময় পুলিশ অভিযুক্ত ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকেও গ্রেপ্তার করে।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগের ওই সাবেক নেতার নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি বাঁশকান্দি ইউনিয়নের মৃজারচর মুন্সিকান্দি এলাকার শাহাবুদ্দিন মুনশির ছেলে। নাসির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি স্থগিত হওয়ার আগপর্যন্ত বাঁশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচারণাও চালিয়েছিলেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক।
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, প্রায় দুই মাস আগে ইউপি নির্বাচনে প্রচার–প্রচারণায় নেমে মোস্তাফিজুরের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর (১৪)। একপর্যায়ে মোস্তাফিজুর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন। ২১ মে (শুক্রবার) সকালে মোস্তাফিজুর ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাড়িতে আসেন এবং নবম শ্রেণির গাইড কিনে দেওয়ার কথা বলে তাঁকে মোটরসাইকেলে নিয়ে বের হন। কিন্তু মোস্তাফিজুর বইয়ের দোকানে না গিয়ে তাঁরই এক বন্ধুর বাড়িতে ওই ছাত্রীকে নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।

একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ওই ঘরের দরজা ভেঙে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে যান মোস্তাফিজুর। পরে মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গুরুতর অবস্থায় মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় মাতবরের মাধ্যমে সালিস বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু সেখানে কোনো বিচার না পাওয়ায় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা গত ২৫ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। এতে মোস্তাফিজুরকে আসামি করা হয়। একই সঙ্গে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়।

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান। শনিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর থানার সামনে
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান। শনিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর থানার সামনেপ্রথম আলো
বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বলে ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রীর বাবাকে আজ সকালে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে আনেন। এরপর মোস্তাফিজুর তাঁকে মামলাটি তুলে নিতে অনুরোধ জানান। কিন্তু মেয়ের বাবা মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করলে তাঁকে বেদম মারধর করা হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে হোটেলের এক কর্মচারী জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। পরে সদর থানা-পুলিশ ওই হোটেলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেন। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ মোস্তাফিজুরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

ADVERTISEMENT
SCROLL TO CONTINUE
ওরা জোর করে আমার স্টেটমেন্ট নিতে চায়। আমি দিতে না চাইলে ওরা আমাকে কিল–ঘুষি দিতে থাকে। আমার মেয়ের সঙ্গে যে এই খারাপ কাজ করেছে, তার সঙ্গে কোনো আপস আমি চাই না। আমি তার কঠোর বিচার চাই।
মারধরের শিকার মেয়েটির বাবা ও মামলার বাদী
মেয়েটির বাবা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি হোটেলে যেতে রাজি ছিলাম না। কিন্তু মোস্তাফিজুর আমাকে খুব অনুরোধ করে হোটেলে ডাকে। ওরা জোর করে আমার স্টেটমেন্ট নিতে চায়। আমি দিতে না চাইলে ওরা আমাকে কিল–ঘুষি দিতে থাকে। আমার মেয়ের সঙ্গে যে এই খারাপ কাজ করেছে, তার সঙ্গে কোনো আপস আমি চাই না। আমি তার কঠোর বিচার চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর থানায় বসে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার সঙ্গে ওই মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মেয়েটি আমার সঙ্গে স্বেচ্ছায় চলাফেরা করে। কিন্তু ওই মেয়ে ও তার পরিবার আমাকে এখন ফাঁসিয়ে দিয়েছে।’ হোটেলে নিয়ে মারধরের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করতে। তাই তাঁকে ডেকে আনি। তাঁকে কোনো প্রকার মারধর করা হয় নাই।’

জানতে চাইলে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা বেলা ২টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘৯৯৯ থেকে কল পেয়ে আমরা সকাল ১০টার দিকে আবাসিক হোটেল যাই। সেখান থেকে আমরা মেয়েটির বাবাকে উদ্ধার করি। এ সময় মোস্তাফিজুরকে থানায় নিয়ে আসা হয়। ঘটনাটি যেহেতু শিবচরের, তাই আমরা শিবচর থানার পুলিশের কাছে আসামিকে তুলে দিই।’
মাদারীপুরের শিবচরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এই ঘটনার বিচার চাওয়ায় উল্টো অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আজ শনিবার সকালে মেয়েটির বাবাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে খবর পেয়ে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে মেয়েটির বাবাকে উদ্ধার করে পুলিশ। একই সময় পুলিশ অভিযুক্ত ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকেও গ্রেপ্তার করে।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগের ওই সাবেক নেতার নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি বাঁশকান্দি ইউনিয়নের মৃজারচর মুন্সিকান্দি এলাকার শাহাবুদ্দিন মুনশির ছেলে। নাসির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি স্থগিত হওয়ার আগপর্যন্ত বাঁশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচারণাও চালিয়েছিলেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, প্রায় দুই মাস আগে ইউপি নির্বাচনে প্রচার–প্রচারণায় নেমে মোস্তাফিজুরের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর (১৪)। একপর্যায়ে মোস্তাফিজুর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন। ২১ মে (শুক্রবার) সকালে মোস্তাফিজুর ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাড়িতে আসেন এবং নবম শ্রেণির গাইড কিনে দেওয়ার কথা বলে তাঁকে মোটরসাইকেলে নিয়ে বের হন। কিন্তু মোস্তাফিজুর বইয়ের দোকানে না গিয়ে তাঁরই এক বন্ধুর বাড়িতে ওই ছাত্রীকে নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।

একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ওই ঘরের দরজা ভেঙে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে যান মোস্তাফিজুর। পরে মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গুরুতর অবস্থায় মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় মাতবরের মাধ্যমে সালিস বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু সেখানে কোনো বিচার না পাওয়ায় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা গত ২৫ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। এতে মোস্তাফিজুরকে আসামি করা হয়। একই সঙ্গে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়।

বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বলে ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রীর বাবাকে আজ সকালে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে আনেন। এরপর মোস্তাফিজুর তাঁকে মামলাটি তুলে নিতে অনুরোধ জানান। কিন্তু মেয়ের বাবা মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করলে তাঁকে বেদম মারধর করা হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে হোটেলের এক কর্মচারী জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। পরে সদর থানা-পুলিশ ওই হোটেলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেন। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ মোস্তাফিজুরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান
ধর্ষণ ও মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমানপ্রথম আলো
মাদারীপুরের শিবচরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। এই ঘটনার বিচার চাওয়ায় উল্টো অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা আজ শনিবার সকালে মেয়েটির বাবাকে মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে খবর পেয়ে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে মেয়েটির বাবাকে উদ্ধার করে পুলিশ। একই সময় পুলিশ অভিযুক্ত ছাত্রলীগের সাবেক নেতাকেও গ্রেপ্তার করে।

অভিযুক্ত ছাত্রলীগের ওই সাবেক নেতার নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি বাঁশকান্দি ইউনিয়নের মৃজারচর মুন্সিকান্দি এলাকার শাহাবুদ্দিন মুনশির ছেলে। নাসির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক। এ ছাড়া তিনি স্থগিত হওয়ার আগপর্যন্ত বাঁশকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে প্রচারণাও চালিয়েছিলেন।

অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে নাসির (২৮)। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসম্পাদক ও মাদারীপুর ছাত্রকল্যাণ পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদ।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্র জানায়, প্রায় দুই মাস আগে ইউপি নির্বাচনে প্রচার–প্রচারণায় নেমে মোস্তাফিজুরের সঙ্গে পরিচয় হয় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর (১৪)। একপর্যায়ে মোস্তাফিজুর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন। ২১ মে (শুক্রবার) সকালে মোস্তাফিজুর ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাড়িতে আসেন এবং নবম শ্রেণির গাইড কিনে দেওয়ার কথা বলে তাঁকে মোটরসাইকেলে নিয়ে বের হন। কিন্তু মোস্তাফিজুর বইয়ের দোকানে না গিয়ে তাঁরই এক বন্ধুর বাড়িতে ওই ছাত্রীকে নিয়ে যান। সেখানে একটি কক্ষে আটকে রেখে তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন।

একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ওই ঘরের দরজা ভেঙে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন। এ সময় দৌড়ে পালিয়ে যান মোস্তাফিজুর। পরে মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে গুরুতর অবস্থায় মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে স্থানীয় মাতবরের মাধ্যমে সালিস বৈঠক ডাকা হয়। কিন্তু সেখানে কোনো বিচার না পাওয়ায় ওই মাদ্রাসাছাত্রীর বাবা গত ২৫ মে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ আদালতে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। এতে মোস্তাফিজুরকে আসামি করা হয়। একই সঙ্গে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করা হয়।

ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান। শনিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর থানার সামনে
ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ছাত্রলীগ নেতা মোস্তাফিজুর রহমান। শনিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর থানার সামনেপ্রথম আলো
বিষয়টি মীমাংসা করার কথা বলে ধর্ষণের শিকার মাদ্রাসাছাত্রীর বাবাকে আজ সকালে মাদারীপুর শহরের একটি আবাসিক হোটেলে ডেকে আনেন। এরপর মোস্তাফিজুর তাঁকে মামলাটি তুলে নিতে অনুরোধ জানান। কিন্তু মেয়ের বাবা মামলা তুলে নিতে অস্বীকার করলে তাঁকে বেদম মারধর করা হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে হোটেলের এক কর্মচারী জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল দেন। পরে সদর থানা-পুলিশ ওই হোটেলে গিয়ে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করেন। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ মোস্তাফিজুরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়।

ওরা জোর করে আমার স্টেটমেন্ট নিতে চায়। আমি দিতে না চাইলে ওরা আমাকে কিল–ঘুষি দিতে থাকে। আমার মেয়ের সঙ্গে যে এই খারাপ কাজ করেছে, তার সঙ্গে কোনো আপস আমি চাই না। আমি তার কঠোর বিচার চাই।
মারধরের শিকার মেয়েটির বাবা ও মামলার বাদী
মেয়েটির বাবা প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি হোটেলে যেতে রাজি ছিলাম না। কিন্তু মোস্তাফিজুর আমাকে খুব অনুরোধ করে হোটেলে ডাকে। ওরা জোর করে আমার স্টেটমেন্ট নিতে চায়। আমি দিতে না চাইলে ওরা আমাকে কিল–ঘুষি দিতে থাকে। আমার মেয়ের সঙ্গে যে এই খারাপ কাজ করেছে, তার সঙ্গে কোনো আপস আমি চাই না। আমি তার কঠোর বিচার চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মোস্তাফিজুর থানায় বসে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার সঙ্গে ওই মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মেয়েটি আমার সঙ্গে স্বেচ্ছায় চলাফেরা করে। কিন্তু ওই মেয়ে ও তার পরিবার আমাকে এখন ফাঁসিয়ে দিয়েছে।’ হোটেলে নিয়ে মারধরের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি চেয়েছিলাম বিষয়টি নিজেদের মধ্যে সমাধান করতে। তাই তাঁকে ডেকে আনি। তাঁকে কোনো প্রকার মারধর করা হয় নাই।’

জানতে চাইলে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা বেলা ২টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘৯৯৯ থেকে কল পেয়ে আমরা সকাল ১০টার দিকে আবাসিক হোটেল যাই। সেখান থেকে আমরা মেয়েটির বাবাকে উদ্ধার করি। এ সময় মোস্তাফিজুরকে থানায় নিয়ে আসা হয়। ঘটনাটি যেহেতু শিবচরের, তাই আমরা শিবচর থানার পুলিশের কাছে আসামিকে তুলে দিই।’

এ বিষয়ে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মোস্তাফিজুরকে আসামি করে মামলা করেন। মোস্তাফিজুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাল (রোববার) আসামি মোস্তাফিজুরকে আদালতে পাঠানো হবে।’
এ বিষয়ে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মোস্তাফিজুরকে আসামি করে মামলা করেন। মোস্তাফিজুরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কাল (রোববার) আসামি মোস্তাফিজুরকে আদালতে পাঠানো হবে।’

About admin

Check Also

সন্তানের চিকিৎসা করাতে গিয়ে থানাহাজতে বাবা ‘বিস্তারিত ভিতরে’

Binodontimes: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশুসন্তানের চিকিৎসা ”করাতে গিয়েছিলেন একটি ওষুধ কোম্পানির এলাকা ব্যবস্থাপক ওমর …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *