Monday , January 18 2021
Home / স্বাস্থ্য / প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন

প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন

অহরহ অনেকের মুখে শুনে থাকবেন হঠাৎ করেই নাকি প্রেসার ওঠানামা করছে। জেনে রাখা ভা’লো এটি মোটেও কো’নো ভা’লো লক্ষণ নয়।একজ’ন মা’নুষ যদি শারী’রিকভাবে সুস্থ থাকেন তাহলে অবশ্যই তার প্রেসার, পালস ও ওজ’ন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকতে হবে।

হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কী করবেন?শাকস’বজি, ফল ও শস্যদানা হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কিছু খাবার আ’পনি খেতে পারেন। বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, স’বুজ শাকস’বজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদি

 

টুকরো করে আধাকাপ ফলযাদের উ’চ্চ র’ক্তচা’পের স’মস্যা রয়েছে তারা ফল খেতে পারেন।টুকরো টুকরো করে কা’টা আধাকাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আ’পেল বা অর্ধেকটা ক’লা অথবা আধাকাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং। ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভা’লো।শাকস’বজি ৪ থেকে ৫সার্ভিংশাকস’বজি প্র’তিদিন প্রয়োজ’ন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং।

দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ প’রিমাণ গোটা দানা শস্য।বিচি জাতীয় খাবারবিচি জাতীয় খাবার প্র’তি সপ্তাহে প্রয়োজ’ন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি।হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন?ব্লাড প্রেসার বা র’ক্তচা’প মা’নবদে’হে র’ক্ত সঞ্চালনে চালিকাশ’ক্তি হিসেবে কাজ করে। মা’নবদে’হে র’ক্তচা’পের একটি স্বাভাবিক মাত্রা আ’ছে।

 

প্রেসার যদি অ’তিরিক্ত নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিণ্ডে সঠিকভাবে র’ক্ত প্র’বা’হিত হতে পারে না তখন এ রো’গ দেখা দেয়। আবার অ’তিরিক্তপ’রিশ্রম, দুশ্চি’ন্তা, ভ’য় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লাড প্রেসার হতে পারে।আসুন জেনে নেই হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন।লবণ-পানিলবণ র’ক্তচা’প বাড়ায়। কারণ এতে সোডিয়াম আ’ছে। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেয়াই ভা’লো।

এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।বাদামলো প্রেসার হলে পাঁচটি কা’ঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন। এটা প্রেসার বাড়াতে স’হায়তা করে।পুদিনাভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রু’ত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর স’ঙ্গে স’ঙ্গে মা’নসিক অবসাদও দূর করে পুদিনা পাতা।

 

অনেকেই চিন্তায় পড়েন এই ভাবনায় এসেই। ডিমই যদি বারণ হয়ে যায়, তা হলে তো সন্তানের পুষ্টির সঙ্গে অনেকটাই আপস করতে হচ্ছে! অনেক মা-বাবাই সে ক্ষেত্রে সিরিয়াল কোনও সাপ্লিমেন্ট বা প্রোটিন শেকগুলির শরণ নিয়ে থাকেন। তবে এই ধরনের সাপ্লিমেন্ট বা বাজারচলতি প্রোটিন শেক খুব একটা কাজের নয় বলেই মত পুষ্টিবিদদের। বরং তাঁদের মতে, ডিমের ঘাটতি মেটাতে হবে সারা দিনের অন্য খাবার দিয়েই।

কোন কোন খাবার হয়ে উঠতে পারে ডিমের বিকল্প?
টক দই: প্রতি দিন শিশুর ডায়েটে রাখুন এটি। লিভারে যেমন প্রোবায়োটিক উপাদানের জোগান বাড়বে, তেমনই ডিম থেকে পাওয়া ক্যালসিয়ামের অনেকটা পূরণ করতে পারে এই খাবার। দই-ভাত, সালাডে দই বা ওটসের সঙ্গে দই— শিশুর রোজের ডায়েটে রাখুন। দিনে অনেকটা টক দই ওজনও নিয়ন্ত্রণে রাখে।

About admin

Check Also

কলার মোচার অসাধারন উপকারিতা

ইংরেজিতে বলা হয় ব্যানানা ফ্লাওয়ার, বাংলায় আম’রা চিনি কলার মোচা নামে। এটি কিন্তু সবজি হিসেবে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *